বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন
রুপগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জে রুপগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাএ আন্দোলনে মাথায় আঘাত প্রাপ্ত হয়ে আহত হন সাংবাদিক মাহাবুব হাওলাদার মুফলিহুন। রাজধানীর যাএাবাড়ী এলাকায় ৪ই আগস্ট এ ঘটনা ঘটে। আঘাত প্রাপ্ত মাথায় বার বার আঘাতে জেনো কাটছে তার জীবন।তাদের বস্তবাড়ী জায়গা থেকে উৎখাত করতে নিজাম বাহিনীর বার বার হত্যা অপহরণ চেস্টা যেনো থামছে না।
মাহাবুব হাওলাদার বলেন, নিজাম শিকদার প্রতিহিংসা মূলক আমার এলাকায় একজন সাইলেন্ট কিলার। নিজাম শিকদার এবং তার পরিবার অন্যের ভালো চায় না। নিজাম শিকদার এবং তার মেয়ে নিশাত আফরিন এমিলা বোন স্বপ্না শিকদার চায় এলাকায় কেউ যেনো তাদের সম্পওি তাদের ছোবল থেকে আত্মসাৎ করতে না পারে।নিজাম শিদার তার মেয়ে এমিলা চায় কেউ যেনো সুখে শান্তিতে বসবাস করতে না পারে। নিশাত আফরিন এমিলা (UIT) ইউনিভার্সিটির ছাএী।
সাইবার ল ডিপার্টমেন্ট। নিজাম এমিলার উদ্দেশ্য তাদের ছাড়া এলাকায় কেউ যেনো বড় না হতে পারে। তাদের অপকর্ম লুকিয়ে রাখতেই নিজাম এবং তার মেয়ে বার বার হত্যা অপহরণ চেস্টা চালায়।নিশাত আফরিন এমিলা আইনজীবী হওয়া নিয়ে আমাদের মাথা ব্যেথা না থাকলেও। নিজাম এবং এমিলার আমাকে নিয়ে মাথা ব্যেথা আছে। নিজাম এবং তার মেয়ে একাই সফলতা অর্জন করুক এটা বাবা মেয়ের চাওয়া। তার ধারাবাহিকতায় প্রতিহিংসামূলক আমাকে দুনিয়া থেকে সড়ানোর বিভিন্ন কৌশল নিজাম এমিলার। এমিলা সাংবাদিক সমাজের জন্য এক আতংকিত নাম। সে বেশ কয়েকবার নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে চ্যানেল আইয়ের মত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অশ্লীল আচরণের মাধ্যমে পোস্ট করেছেন।প্রশ্ন হতে পারে, আইনের এত ডিপার্টমেন্ট থাকতে সাইবার ল ডিপার্টমেন্ট কেনো।উদ্দেশ্য একটাই সাইবার আইনের ফাদে ফেলে সাংবাদিক জব্দ।যে আইনকে আমরা সাংবাদিকরা কালো আইন বলি।আমার এলাকায় চায় না আমি বসবাস করি নিজাম এবং তার মেয়ে ভবিষ্যৎ আইনজীবী এমিলা।আমার সাংবাদিকতা নিয়ে যেনো তাদের প্রতিহিংসা ভয়ংকর। নিজাম বাহিনী এবং তার মেয়ে এমিলার নেতৃত্বে আমার বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করার সহায়ক আমার সৎ দাদী। তার মেয়ে আসমা ছেলে সুমন এবং আমার দাদাও।নারীর প্রলোভনে পড়ে সব বিসর্জন দিয়ে দাদা। তার মেয়ে আসমা ছেলে সুমন সৎ দাদী আমাকে হত্যায় মরিয়া হয়ে ওঠেছে।চক্রটির মূল্য উদ্দেশ্য হত্যা গুম খুন অপহরণের মাধ্যমে সম্পওি আত্মসাৎ করা। আমার সৎ দাদিকে আমাদের পরিবারে নিজাম এবং তার মেয়ে প্রবেশ করিয়ে দেওয়ার পর শুরু হয় ধ্বংসযঙ্গের খেলা।সৎ দাদী এবং দাদা ঋণের দোহায় দিয়ে তাদের মেয়ে আসমার শশুর বাড়ীর লোকজন তাওলাদ,কাউসার এছাড়া বিভিন্ন চক্র মহল প্রায় দেড় কোটি টাকা আত্মসাৎ করে। দাদা বাবার কাছ থেকে জমি লিখে দেওয়ার কথা বলে পাচ লক্ষ টাকা নিলেও। দাদা পরবর্তীতে হুমকি প্রদান করে তুমি আমাকে কোনো টাকা দেও নি। পুলিশ আমাকে ধরে নিয়ে গেলে আদালতে গিয়ে বলবো আমাকে ছেলেরা ভরণ পোষণ দেয় না। তাহলে কোন বিচারক আমাকে আটকাবে।জমি বিক্রি করে তার মেয়ের জামাই কাওছারকে বিদেশ পাঠায় দাদা।জমি বিক্রির টাকা দিয়ে জমি কিনে এবং জমি বিক্রির টাকা আমানত রেখেছেন বিভিন্ন আত্মীয় স্বজনের নামে।৫০ হাজার টাকার ঋণের দোহায় দিয়ে দেড় কোটি টাকার জমি বিক্রির মহাউৎসব।জমি বিক্রি করে এত টাকা দিয়ে কী করে দাদার কাছে জানতে চাইলে। সে কোনো কথা না বলে লাঠি সোটা দিয়ে আক্রমণ শুরু করে তার সাথে তার মেয়ে আসমা ছেলে সুমন সৎ দাদী।এক পর্যায়ে আসমার হাতে থাকা লোহার একটি পাইপ দিয়ে আমার মাথার তালুতে আঘাত করে। সাথে সাথে শরীরে রক্ত স্রোত বসিয়ে দেয়।এছাড়াও কিছু ব্যবসায়ী রাজনৈতিক অসাধু সাংবাদিক এদের মদদদাতা। মদদ দাতাদের মধ্যে উল্লেখ্যযোগ হলো মরহুম হাজী আব্দুর রউফ মিয়ার ছেলে শফিকুল ইসলাম নাদিম এবং তার চাচা আইয়ূব। নাদিমকে বিভিন্ন সময় ব্যবহার করা হয়েছে সম্পওি আত্মসাৎতের হাতিয়ার হিসেবে একদিন দাদা সৎ দাদী এবং তাদের দোসরা শফিকুল ইসলাম নাদিমকে ডেকে এনে আমার ওপর আঘাত করান।নাদিমের অপকর্ম লুকিয়ে রাখতেই সেও একই পথের পথিক নিজাম এমিলার মত।নাদিম ৫ই আগস্ট সরকার পতনের পর গাজী গ্রুপ থেকে যেসব মালামাল চুরি করে এবং তারাবো পৌর সভা থেকে এগুলো তার অপকর্মের উদাহরণ। এছাড়াও মসজিদ থেকে ৬৬ হাজার টাকা আত্মসাৎ। মসজিদে চোরাই ইট কিনা।এছাড়াও প্রযুক্তি গত ভাবে দীর্ঘদিন যাবত একটি চক্র আমাকে হয়রানি করছে। ঘোষ শেখ নামে আমার হোয়াইটস অ্যাপে কল দেয় এক ব্যাক্তি তবে তার নাম্বার নেই কলের মধ্যে হিন্দি ভাষায় কথা বলে।আমার জি মেইল ফেসবুক সিম সহ হ্যাকিং করেছে একটি চক্র। বিভিন্ন জায়গায় আমার পরিচয় প্রদান করে আমাকে জেল জুলুমের শিকার করাতে পারে বলে আমি আতংকিত। চক্রের একজন সদস্য বলে আমার ধারণা মাঈনউদ্দীন(২০) স্বর্নকার মনির টাকা আত্মসাৎকারীর ভাগিনা এবং তার বোন শিরিন বেগম(৪৫)।পএিকায় মনিরের স্বর্ণের দোকানের বিঙ্গাপন দেওয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে আমার ফোন নাম্বারি নেন মাঈনউদ্দীন এবং শিরিন।তারপর আমার ফোনে বিভিন্ন সময় সমস্যা দেখা দেয়।একপর্যায়ে মাঈনউদ্দীনএবং তার মা শিরিনকে আমার সমস্যা কথা জানালে। তারা বলে থানায় মামলা করো গিয়ে এগুলো আমরা জানি না। আমরা সাইবার ৭১ এর সদস্য। আমাদের বস তানজিম আল ফাহিম। যদি মনে চায় আমাদের নামে গিয়েও মামলা করো এ বলে হুমকি প্রদান করেন। আমি একটি জিডি করি সোনারগাঁও থানায়। জিডি নং-৭৩১। কিন্তুু কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে দেখা যায়নি পুলিশকে। আমি একটি এ্যাপস ডাউনলোড করি লাইকি।এ্যাপসটি কী কাজ করে তা জানতে। এ্যাপসটির লাইভে গিয়ে দেখি কিছু নারী বয়স্ক মধ্য বয়সের মেয়েরা নিজেকে আকর্ষণীয় করে তোলে উপস্থাপন করে মিস্টি কথার মাধ্যমে টাকা রিচার্জ করিয়ে গিফট হাতিয়ে নেওয়ার ধান্দা।এক পর্যায়ে আমি আফসানা লিজা নাম বলে একটি মেয়ের লাইভে গিয়ে তাদের কর্মকান্ড দেখে জানতে চাইলে। সে আমাকে বলে আপনি সাংবাদিক তো কী।আমার ভাই এন এস আই আমি মিনিস্ট্রি ডিফেন্স কর্মকর্তা। আমাকে গিফট সেন্ড করতে বলে। আমি বলি না। আপনাকে কেনো গিফট সেন্ড করবো।আফসানা লিজা নিজের নাম বললেও। তার নাম লিপা পারভীন বলে ধারণা করা হচ্ছে লাইকি ফেসবুক ইউটিউব আইডি আফসানা লিজা আবার কখনও তার প্রোফাইলে একই রকম দেখা যায় লিপা পারভীন। তার বাড়ী ময়মনসিংহ শেরপুর সদর বলে। আমি একজন সাংবাদিক এবং মানবাধিকার কর্মী হিসেবে বলতে চাই, আপনারা দেখেছেন প্রেমের ফাদে ফেলে বরগুনায় রিফাত শরীফ হত্যা। সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে প্রেমের প্রলোভন দেখিয়ে পূর্বাচল উপশহরে নিয়ে টুকরো টুকরো করে ফেলা রাখা পুরুষের দেহ।দেখেছেন মায়া কান্নার মাধ্যমে বোরকা পড়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধম্যে মামনুন হকের নীরব কারাগার।যদি দেশের সামরিক বেসামরিক গোয়েন্দা বাহিনীর কিছু অতিউৎসাহী কর্মকর্তা ভালোবাসার প্রলোভন দেখিয়ে হত্যা গুম খুন জড়িত আছে বলে ধারণ করা হচ্ছে।যা আকর্ষণীয় সৌন্দর্যের মাধ্যমে নিজেকে লাইভে উপস্থাপন করা আফসানা লিজা অথবা লিপা পারভীন নামে মেয়েটির পরিচয় বলে।দেহ ব্যবসায়ী অর্থলোভী কিছু মেয়ে অন্যের প্রতিশোধের হাতিয়ার অথবা নিজের প্রতিহিংসার শিকার করতে রাস্তা দিয়ে হেটে যাওয়া পুরুষকে জড়িয়ে ধরে বলবে আপনি তাকে জড়িয়ে ধরেছেন। কিছু সুবিধাবাদী মহল মেয়েটির কথায় প্রশাসনের কাছে বলবে হে সব দোষ ছেলেটির মেয়েটির নয়।এরা হচ্ছে এলাকার ফিটিং গুরুপ নামে পরিচিত আবার হতে পারে মেয়েটি এদেরই সদস্য। টাকা পেলে এদের সাতখুন মাফ। দেখা যায় আপনাকে আপনার বন্ধু বান্ধবীরা কোনো পার্টিতে দাওয়াত করে নিয়ে গিয়ে কোল ড্রিংসের সাথে নেশা জাতীয় কিছু মিশিয়ে তাদের ভাড়াটে দেহ ব্যবসায়ী দিয়ে প্রতিহিংসা মূলক এবং প্রতিশোধ মূলক ফায়দা হাসিল করে অশ্লীল ছবি এবং ভিডিও প্রকাশের মাধ্যমে। মোটা অংকের কাবীননামা লিখিয়ে এক ছেলের সাথে তিন মাস আরেক ছেলের সাথে নতুন কাবিননামা করে বিয়ের আয়োজন আগেরটাকে ডিভোর্স দিয়ে। কাবিনামা না পেলে জুড়ে দেয় নারী নির্যাতন আইনের ফায়দা। কারো মৌখিক কথায় আইন প্রয়োগ নয়।বলতে পারে মেয়েটিকে ধর্ষণের চেস্টা করা হয়েছে হতে পারে দেহ ব্যবসায়ী কারো ভাড়া করা প্রতিশোধের হাতিয়ার হিসেবে। এসব মৌখিক গল্প হতে পারে কারো প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ। সমস্ত আইনী কার্যক্রম তদন্তের মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। আইনের চোখে সব সমান। কথাটি বলা হয়। কিন্তুু সত্য নয়।তদন্তের মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম চালানোই সঠিক আইন প্রয়োগ। দেশে পুরুষ নির্যাতনের নীরব দুর্ভিক্ষ চলছে। অপরাধীর কোনো লিঙ্গ নাই। হোক নারী হোক পুরুষ। অপরাধী শুধু আইনের চোখে অপরাধী। কিন্তু আমরা দেখছি নারী নির্যাতন আইনের বেলা আইনপ্রয়োগ করে পুরুষের নীরব কারাগার। আর পুরুষ নির্যাতন আইন নেই।মনে হচ্ছে নারীদের দেশ পুরুষদের নয়।আমার এলাকায় শফিকুল ইসলাম নাদিম বলে আমি রাস্ট্রপতির লোক আমাকে কোনো আইন কিছু করতে পারবে না। নিজাম সিকদারের বোন স্বপ্না শিকদার নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেলিনা হায়াত আইভীর নাম ভাঙ্গিয়ে প্রভাব বিস্তার।স্বপ্না শিকদার তার কোনো কর্মসংস্থান না থাকলেও। আছে বিলাশ বহুলবাড়ী এবং রমরমা আয়োজনে মানুষ খাওয়ানোর সোর্স।লোভনীয় খাবার এবং অর্থকড়ি দিয়ে নিজেদের অপরাধের সহযোগী সংগঠন বানিয়েছে এলাকার লোকজনদের। কেউ নেই কথা বলার তাদের বিরুদ্ধে। প্রধানমন্ত্রী বলেন আমি গুম খুনকে সমর্থন করি না। কিন্তুু দেখা যায় বিভিন্ন প্রতিবেদনে সামরিক বেসামরিক গোয়েন্দা বাহিনীর কিছু সদস্য গুম খুনে নিয়োজিত। তাহলে রাষ্ট্রপতির প্রধানমন্ত্রী ওনারা কী এসব বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন না? রাস্ট্রপতি বলেন। আমেরিকাকে আমরা মানবাধিকার শিক্ষাবো।অথচ আমার দেশেই চরম মানবাধিকার লৎঘন।আমরা সাংবাদিকরা সত্য লিখলে বলা হয় ভিওিহীন গুজব।মাদকের বিরুদ্ধে বললে মাদককারবারী বানানো হয়। রাস্ট্রদ্রোহীর বিরুদ্ধে কথা বললে রাষ্ট্রদ্রোহী বানানো হয়।অস্ত্রধারীর বিরুদ্ধে কথা বললে অস্ত্রধারী।দেশ হয়ে গেছে ইস্যু ভিত্তিক।আমরা ইস্যু মুক্ত বাংলাদেশ চাই।আমার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিষয়ে সোনারগাঁও থানায় বেশ কয়েকবার অভিযোগ দায়ের করা হয় কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযোগ সিরিয়াল নং -২৫৩১।সিরিয়াল নং ৭৫৫৮। আমরা সাংবাদিকেরা একটি সুন্দর বাংলাদেশ চাই। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সমস্ত ষড়যন্ত্র থেকে বিরত থাকতে হবে। যারা সাংবাদিক মাহাবুব হাওলাদার মুফলিহুন এর ওপর হামলাকারী এবং পরিকল্পনাকারী তাদের অতিদ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে বলে জানান সাংবাদিক নেতারা।
এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সভাপতি মামুনুর রশীদ মহাসচিব কামরুল ইসলাম, বাংলাদেশ সংবাদপত্র মালিক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এম জি কিবরিয়া চৌধুরী, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার হিউম্যান রাইটস রিভিউ সোসাইটি চেয়ারম্যান,বাংলাদেশ সাংবাদিক ফেডারেশন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব এছাড়া দেশের বিভিন্ন পেশাজীবী সাংবাদিক সংগঠন এবং সাংবাদিক নেতারাও এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান